Hair Salon ছোটদের গল্প: সাফওয়ানের ঘুড়িভ্রমণ!

সাফওয়ানকে খুশি করার জন্য তার নানু বাসায় বেড়াতে এলে সবসময় একগাদা চকলেট নিয়ে আসেন। এবার একটু ব্যতিক্রম ঘটল। তিনি সাফওয়ানের জন্য নিয়ে এলেন ইয়া বড় একটা ঘুড়ি। দশাসই সাইজের ঘুড়িটা ৭ বছর বয়সি সাফওয়ানের প্রায় সমান। নিজের সাইজের ঘুড়ি পেয়েতো সাফওয়ান মহা খুশি। সে তখনি জেদ ধরল ঘুড়ি উড়াবে।সাফওয়ানকে খুশি করার জন্য তার নানু বাসায় বেড়াতে এলে সবসময় একগাদা চকলেট নিয়ে আসেন। এবার একটু ব্যতিক্রম ঘটল। তিনি সাফওয়ানের জন্য নিয়ে এলেন ইয়া বড় একটা ঘুড়ি।

দশাসই সাইজের ঘুড়িটা ৭ বছর বয়সি সাফওয়ানের প্রায় সমান। নিজের সাইজের ঘুড়ি পেয়েতো সাফওয়ান মহা খুশি। সে তখনি জেদ ধরল ঘুড়ি উড়াবে।সাফওয়ানকে খুশি করার জন্য তার নানু বাসায় বেড়াতে এলে সবসময় একগাদা চকলেট নিয়ে আসেন। এবার একটু ব্যতিক্রম ঘটল। তিনি সাফওয়ানের জন্য নিয়ে এলেন ইয়া বড় একটা ঘুড়ি। দশাসই সাইজের ঘুড়িটা ৭ বছর বয়সি সাফওয়ানের প্রায় সমান। নিজের সাইজের ঘুড়ি পেয়েতো সাফওয়ান মহা খুশি। সে তখনি জেদ ধরল ঘুড়ি উড়াবে।

Hair Salon যার যত কাজ তার তত অবসর!

শাফায়েত সাহেব একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে চাকুরি করেন। কাজের চাপ প্রচণ্ড। পরিবারের বড় ছেলে হওয়াতে সাংসারিক দায়িত্বও কম না। আরো খুঁটিনাটি ব্যস্ততার কথা বলে শেষ করা যাবে না। তার পরেও তিনি প্রতি বছরে একটি করে বই লেখেন। কীভাবে পারেন? সন্দেহ নেই যে তিনি একজন কঠোর পরিশ্রমী, এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তবে সেই সাথে তিনি জানেন টাইম ম্যানেজমেন্ট। এজন্যেই প্রচুর কাজ করার পরও তার অবসর সময় কম থাকে না! শাফায়েত সাহেব কীভাবে তার টাইম ম্যানেজমেন্ট মেইনটেন করেন, এটা তারই ভালো জানার কথা। আমরা বরং কিছু থিওরি জেনে নেই চলুন!
আমাদের কাজকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায় গুরুত্বের ভিত্তিতে। Important, এবং Urgent. একটা কাজ কতটুকু জরুরী তার ভিত্তিতে Important-কে মোটা দাগে দুই ভাগ করে ফেলুন! Important, এবং Not important. আর আর্জেন্সির ভিত্তি হবে কাজটা কখন দরকার, তার ভিত্তিতে। কোনো কাজ যদি এক্ষুণি লাগে, তাহলে সেটা হলো Urgent, আর যদি এখন না হলেও চলে, তাহলে সেটা হলো, Not urgent.
তাহলে একটা গ্রাফ করে ফেলুন এরকম-

Hair Salon তাহলে আমাদের প্রায়োরিটি হওয়া উচিত এমন

তাহলে কোন ক্যাটাগরির কাজকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত? নিঃসন্দেহে 4, অর্থাৎ Urgent and important কাজগুলিকে, তাই না?
এটাই হলো শুভঙ্করের ফাঁকি! আসলে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে ৩ নাম্বার ক্যাটাগরির কাজগুলোকে। যেগুলো হলো ইমপরট্যান্ট কিন্তু আর্জেন্ট না। গোল বেঁধে গেলো? একটু ব্যাখ্যা করা যাক। আর্জেন্ট কাজ হতে পারে দুই ভাবে। ধরুন, হঠাৎ আপনাকে বলা হলো একটি কাজ এই মুহূর্তেই করতে হবে, সেটি করা ছাড়া উপায় নেই। তবে কিছু কিছু আর্জেন্সি তৈরি হয় আমাদের অবহেলার কারণে। যেমন ধরুন, আপনাকে আজ কারেন্ট বিল দিতে হবে, না হলে লাইন কেটে দেবে। এই আর্জেন্সি কিন্তু আপনার সৃষ্টি করা। এটাকে এতদিন আপনি নট ইমপরট্যান্ট ভেবে এসেছেন বলেই আজ তা আর্জেন্ট হয়ে গেছে। কিন্তু যদি একদিন একটু ইমপরট্যান্স দিয়ে কাজটি করতেন, তাহলে এটি আর আর্জেন্ট হিসেবে গণ্য হতো না। এভাবেই আমরা তৈরি করি অনেক আর্জেন্ট কাজ, যার ফলে ইমপরট্যান্ট কাজগুলো করা হয় না, সেই ইমপরট্যান্ট কাজগুলো আবার পরবর্তীতে হয়ে যায় আর্জেন্ট কাজ, আর আমরা বাঁধা পড়ি সময়ের দুষ্টচক্রে।